1

গল্প - বন্দনা মিত্র

Posted in

গাঁটের কড়ি খসিয়ে এ সি ফার্স্ট ক্লাস ক্যুপের টিকিট কেটেছিলাম, শরীরটা ভালো নেই, একটু আরাম করে ঘুমোবো। সঙ্গে ছিলেন কর্তামশাই। বেশ রাত করেই ছেড়েছে ট্রেণ। রাতের খাবার খেয়েই এসেছিলাম। নিজের সীট খুঁজে বিছানা পেতে টিটিকে টিকিট দেখিয়ে চটপট শুয়ে পড়লাম। বলা বাহুল্য নীচের বার্থের বার্থের দখল নিলাম আমি । একটু পরে দেখলাম উলটো দিকে এক তরুণী মা তাঁর দুই আধ ঘুমন্ত শিশুকে নীচের সিটে শুইয়ে দিচ্ছেন, আন্দাজে বাচ্চাদুটোর বয়স হবে চার/পাঁচ এবং ছয়/সাত। উনি নিশ্চয় ওপরের বার্থে উঠবেন। যাক নিশ্চিন্ত, বেশি ভিড় নেই, যাত্রাটা বেশ আরামদায়ক হবে। কম্বলটা টেনে নিয়ে পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়লাম, কাল দশতার আগে উঠছি না। পরদিন ঘুম ভেঙে গেল ভোর সাড়ে পাঁচটায়, প্রবল কোলাহলে। ধড়মড় করে উঠে দেখি কালকের সেই ঘুমন্ত বাচ্চাদুটো আজ জেগেছে, এবং বন্ধ ক্যুপের মধ্যে পরমানন্দে ছুটোছুটি করে খেলছে। যে খেলাকে বাংলায় বলি কুমীর ডাঙা। বলা বাহুল্য নীচের সিটদুটো ডাঙা হয়েছে। সেই প্রাতঃকালে বহুদিন পর কবিগুরুর লেখা স্মরণে এল, 

ওরে মোর শিশু ভোলানাথ, 
তুলি দুই হাত 
যেখানে করিস পদপাত 
বিষম তাণ্ডবে তোর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সব 

কি অব্যর্থ বর্ণনা দিয়ে গেছেন , সাধে লোকে বলে গুরুদেব! 

আমাকে জাগতে দেখে ওরা বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠল, আরেক জন খেলুড়ি পাওয়া গেল ভেবে। হাত ধরে টেনে তোলে আর কি বিছানা থেকে। ইল্লি, এই বিচ্ছুদুটোর মাতা ঠাকুরাণী হাত পা ছড়িয়ে আরাম করে ঘুমোবেন আর চোরদায়ে পড়ে কুমীর ডাঙা খেলতে হবে আমাকে, এই বয়সে। তবে আমারও তো ঝানু ব্রেণ, মধুর স্বরে বললাম, “বেটা পেড়পে চড়োগে?” পুণ্য প্রভাতে গাছে ওঠার শুভ প্রস্তাব শুনে অসম্ভব পুলকিত হয়ে উঠল ওরা। আমি ওপরের বার্থটা দেখিয়ে বললাম, “ঐ দেখো, তোমাদের স্পেশাল আমগাছ, সিঁড়ি বেয়ে উঠে পড়। যেমন বলা তেমনই কাজ। হুড়মুড় করে সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেল দুই মূর্তি, না জানা থাকলে কে বলবে এ দুটো হনুমান নয়, মানুষ। দারুণ উৎসাহে ওঠা নামা করছে দেখে বুঝলাম যে খেলাটা খুব মনঃপুত হয়েছে তাদের । আমি কম্বলে পা ঢেকে পাশ ফিরে শুলাম। মিনিট দশেকের মধ্যে শিশু ভোলানাথদের মা জননী নিদ্রাসুখ জলাঞ্জলি দিয়ে নীচে নেমে এলেন, আমার দিকে রোষকষায়িত দৃষ্টিতে একবার তাকিয়ে নীচের সিটে জানলার ধারে বসে নিবিষ্ট মনে মোবাইল চেক করতে লাগলেন। ওরা অবশ্য ততক্ষণে গাছ গাছ খেলা বন্ধ করে প্রচুর শব্দ সহযোগে ওপরের বার্থে বালিশ কম্বল নিয়ে নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলছে। আওয়াজ শুনে মনে হচ্ছে ওগুলো সাবমেরিন, মেশিনগান, ট্যাঙ্ক, কি নিউক্লিয়ার বোমা হবে। সীটের ওপর ডিগবাজী খাচ্ছে, কুস্তি করছে, একে অপরের নাক টানছে, কান টানছে , খিমচে দিচ্ছে, চুল টানছে। আর আমি ভাবছি “বাপ রে কি ডানপিটে ছেলে/ কোনদিন ফাঁসী যাবে নয় যাবে জেলে। শেষ অবধি বড়টা যখন খুদেটার পায়ের গোড়ালি ধরে সীট থেকে নীচে ঝুলিয়ে দিতে গেল তখন মায়ের টনক নড়ল বোধহয়। নীচ থেকে চেঁচালেন, “চিকু, হনি নীচে আ যাও”। আ যাও না আর কিছু। ভারি বয়ে গেছে। অবশেষে রাম রাবণের যুদ্ধ শেষ করে নীচে নেমে এল দুই মূর্তিমান, কি বৃত্তান্ত? না খিদে পেয়েছে। ঘড়িতে তখন সবে সোয়া ছটা। মা ওদের হাতে গোটা কয়েক প্যাকেট ধরিয়ে দিল। তারপর যেটা হল তার বর্ণনা পাওয়া যাবে সুকুমার রায়এর লেখায়- “গোপলাটা কি হিংসুটে মা, খাবার দিলেম ভাগ করে/ বললে নাকো মুখেও কিছু ফেললে ছুঁড়ে রাগ করে। গোলাগুলি চালানোর মত নীচের দুটো সিট ভরে গেল বিস্কুটের গুঁড়ো, কেকের টুকরো, চিপসের অবশিষ্ট এবং গলে যাওয়া ক্যাডবেরির কাদায়। উপায় না দেখে আমি উঠে পড়ে হাত মুখ ধুতে বাইরে এলাম। বেশ রাগ হচ্ছিল, কি দুরন্ত এই বাচ্চাগুলো। ভাবলাম ফিরে গিয়ে বাচ্চাগুলোকে বাইরে করিডরে খেলতে বলব। তবে একটু শান্তিতে বসা যায়। ওদের মা অবশ্য রাজি হবে কিনা জানিনা। মুখ ধুয়ে ক্যুপেতে ঢুকে দেখি আমার সিটের জানলার ধার বেদখল করেছে হনি মানে পুঁচকেটা। শুধু তাই নয় স্টেশনে কেনা অস্পর্শিত দেশ পত্রিকার পাতায় কোথা থেকে একটা বল পেন জোগাড় করে দেদারসে ছবি এঁকে চলেছে। জানলার আশা ছেড়ে দিলাম, চার পাঁচ বছরের বাচ্চাকে জানলার ধার থেকে জোর করে তুলে দেওয়া বোধহয় চাইল্ড অ্যাবিউসের মধ্যে পড়ে যাবে। কিন্তু দেশের আশা অত সহজে ত্যাগ করতে পারলাম না। আমি একটু দূরত্ব রেখে বসে বেশ কঠিন গলায় বললাম “কিতাব পে মাত লিখো। ইয়ে কোই ড্রইং বুক থোরি না হ্যায়। বাচ্চাটা আমায় পাত্তা দিল না। ওর দাদা অ্যামার দিকে অপরিসীম হতাশা ও ধিক্কার মাখা দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মার কাছে কৌতূহলী জানতে চাইল “ইয়ে আন্টি ফির কিঁউ ওয়াপাস আয়ি?” প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ক্ষোভ ওর গলায়। ভদ্রমহিলার দিকে তাকিয়ে মনে হল সেটা ওনারও প্রশ্ন। রণে ভঙ্গ দিলাম, দেশ আর উদ্ধার করে লাভও নেই, একটা পাতাও আর পড়ার অবস্থায় নেই। মোবাইল বের করলাম মেসেজ চেক করব বলে। জানলার ধারের বাচ্চাটা দেশকে অবশেষে রেহাই দিয়ে মন দিয়ে দেখছিল আমার কার্য কলাপ। এবার আমার পাশে গা ঘেঁষে বসে বলল
“ তোমার মোবাইলে ছবি তোলা যায়?” 
যায় বই কি। 

ভিডিও আছে? 

আছে। 

গেমস? 

তাও আছে। 

আমাকে দাও। আমি দেখবো। বলেই উত্তরের অপেক্ষা না করে ধাঁ করে এক খাবল দিল ফোনের ওপর। 

বলে কি ছেলেটা। আমার নতুন আধ খাওয়া আপেল আঁকা ফোন। আমি নিজেই ভয়ে ভয়ে নাড়াচাড়া করি। তাকিয়ে দেখি তাদের মায়ের কোন হেলদোল নেই। অতএব কড়া গলায় বললাম, “না, মোবাইল বাচ্চারা নেয় না।

কে বলেছে? আমি তো নি’। চিকুও নেয়। 

তোমাদের মায়ের মোবাইল নাও। 

বলতেই ভদ্রমহিলা প্রায় আঁতকে উঠে হাতের ফোনটা ব্যাগে ঢুকিয়ে ফেললেন। বাচ্চাটা আমার প্রস্তাবটা খানিকক্ষণ বিবেচনা করে বিজ্ঞের মত মাথা নাড়ল “ মা দেবে না। মারবে।“ইচ্ছে হল বলি আমিও। সব ইচ্ছেমত কাজ কি আর করা যায়! 

ইতিমধ্যে আমার কর্তাটির ঘুম ভেঙেছে। কিংবা হতে পারে, আর মটকা মেরে পড়ে থাকতে পারছে না। তিনি ওপরের বার্থে পা ঝুলিয়ে বসে আড়মোরা ভেঙে হাই তুললেন একটা। চিকু আর হনি আবার উত্তেজিত। আমার ওপরের বার্থে আরেকটা মানুষ আছে এটা ওদের মাথাতে আসে নি। দুই ভাই বোন মিলে চিড়িয়াখানার প্রাণী দেখার মত হাঁ করে তাকিয়ে রইল খানিকক্ষণ। তারপর চিকু অবাক বিস্ময়ে প্রশ্ন করল “ইয়ে কাঁহাসে আয়া?” সৃষ্টির আদি প্রশ্ন, আমরা কোথা হইতে আসিয়াছি ! উত্তর অত সোজা নয় । 

কর্তামশাই হাই তোলা শেষ করে এবার নীচে নামবেন। হনির ব্যাপারটা মোটেই পছন্দ হচ্ছেনা, নিজেদেরই জায়গা নেই তার ওপর...। সে সংগত প্রশ্ন রাখল “ইয়ে নীচে কিঁউ উতার রহা হ্যায়?”  চিকুর জিজ্ঞাসা আরো বাস্তবোচিত “ ইয়ে কাঁহা বয়ঠেগা?” 

প্রাতরাশ সেরে আমার কর্তা বেরোলেন টহল দিতে, একটা সিগারেটে টান দেওয়া দরকার তার। বলে রাখা ভালো আমার কর্তাটি আলাপী মানুষ, চা কফির নেশা আছে। তারপর আবার যেমন ধুম্র রসিক তেমনই খাদ্য রসিক। একবার যখন ক্যুপে থেকে বেড়িয়েছে তখন টি টি কে সিগারেট খাইয়ে, ট্রেণের অর্ধেক যাত্রীর সঙ্গে আলাপ পরিচয় করে, তাদের সঙ্গে চা, কফি খাইয়ে ও খেয়ে, তাদের ঘর সংসার, সুখ দুঃখের খবর যোগাড় করে , প্যান্ট্রি কারে টহল দিয়ে একেবারে শেষ মুহূর্তে, যখন ট্রেন গন্তব্য প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে তখন আসবে ধীরেসুস্থে, কোন সুখাদ্য হাতে - “লাগেজ গুছিয়েছ? দেখো কিছু ফেলে যেও না যেন।

চিকু আর হনি বাইরের করিডরে প্লাস্টিকের ব্যাট বল নিয়ে খেলছে, ওদের মা ছেলেদের পাহারা দিচ্ছে। ক্যুপের মধ্যে আক্ষরিক অর্থে শ্মশানের স্তব্ধতা। অতএব ভাবলাম এবার একটু উচ্চশ্রেণীর কামরার বিলাসিতা উপভোগ করা যাক। সেফ সাইডে থাকতে ওপরের ফাঁকা বার্থে উঠে গায়ে চাদর টেনে ঘুমোতে গেলাম। তা গরীবের ফুটো কপাল, অত সুখ সইবে কেন? চোখটা বোধহয় একটু বুঁজে এসেছিল। হঠাত ঘুম ভাঙল প্রবল ঝাঁকুনিতে, ভূমিকম্প হলেও ওভাবে ঝাঁকুনি লাগে না। আঁতকে উঠে দেখি পুঁচকে হনি তার গোলগাল হাতে আমাকে প্রাণপণে ঠেলছে, উত্তেজনায় ও রাগে তার কচি ফর্সা মুখ টকটকে লাল। ক্যুপেতে কেউ নেই আর। হায় রে, শিশু ভোলানাথকে ভারতীয় রেলের কামরায় আমগাছ চিনিয়েছি, সেখানে ওঠার সিঁড়ি দেখিয়েছি, এখন ভাগ্যকে দোষ দিলে কি করে হবে? আমাকে চোখ খুলতে দেখেই হনি রাগের চোটে প্রায় তুতলে উঠল “আন্টি, আপ মুঝে ইয়ে বাতাইয়ে কে চিকু নে মুঝে কিঁউ মারা? সদ্য ঘুম ভেঙে তো কে চিকু, কোথাকার চিকু কিছুই প্রথম ঠাহর হল না, তারপর ধীরে ধীরে মর্ত্যের মাটিতে নামলাম। তারকা রাক্ষুসীর মত এক বিশাল হাই তুলে বললাম “মেরেছে, খুব খারাপ কথা। যাও গিয়ে তোমার মাকে বলো। হনি উত্তেজনায় ঢোঁক গিলে বলল “মাকে বলেছি। মা বলেছে, আচ্ছা কিয়া। ঔর ভি পিটনা চাহিয়ে থা। - - আরে ছি ছি, এই কি কাজীর বিচার হল? 

“আপ আইয়ে না, আইয়ে তো সহি।

আমায় হাত ধরে টানতে টানতে নীচে নামালো। আমি ব্যাগ থেকে ট্রেণে কেনা একটা বাদামের প্যাকেট বের করে ওর হাতে দিয়ে বললাম “এটা খেতে খেতে আমাকে বলো তো কি হয়েছে। হনি একটু থমকে গেল, যেন তুমুল বেগে ছুটে চলা গাড়িকে অতিকষ্টে ব্রেক লাগানো হয়েছে। আমার পাশে বসে ওর কুটকুট দাঁতে কামড় বসালো কয়েকটা বাদামে। তারপর আবার ফিফথ গিয়ারে স্পীড তুলে বলে চলল “মাম্মি বলেছে, কাল জজসাহেব যখন জিজ্ঞেস করবে আমরা কার কাছে থাকতে চাই, মাম্মি না পাপা, আমরা যেন বলি, মাম্মি, ভুল চুক না হয়। আমি বলেছি আমি কিন্তু পাপার কাছেই থাকব, পাপা আমাকে বাইকে নিয়ে বেড়াতে যায়। মোবাইল কিনে দেবে বলেছে। কুছ গলদ থোরি না বোলা - তারজন্য চিকু আমাকে কেন মারবে? ওর ভাল লাগলে মায়ের কাছে থাকুক। আমার বুকে যেন একটা সজোরে ধাক্কা লাগল। এতক্ষণ যেটা একটু বিরক্তি, একটু মজা, একটু খেলা লাগছিল, সেই গল্পটাই হঠাৎ কেমন যেন একটা করুণ দীর্ঘশ্বাসের মত কাঁপতে লাগল ট্রেনের চাকার তালে তালে। 

আমি কিছু বলার আগেই ওদের মা তোয়ালে, সাবান নিয়ে ঢুকল, চিকুর হাত ধরে। হাত বাড়িয়ে হনিকে কোলে টেনে নিল, একেবারে আঁকড়ে জড়িয়ে ধরে মাথায় চুমো খেল একটা, যেন পারলে চিরকাল আগলে রাখে নিজের বুকের ভেতর। চিকু ততক্ষণে হনির হাত থেকে টেনে নিয়েছে বাদামের প্যাকেট, “মুমফলি! মুঝে ভি দো”, ভাব হয়ে গেছে দু'জনের কিংবা ঝগড়া যে হয়েছিল সেটা মনেই নেই। ভদ্রমহিলার চোখে লালচে আভা। 

আর মিনিট পনেরর মধ্যে আমার স্টেশন আসবে, বলা বাহুল্য দায়িত্ববান কর্তামশাই এসে পড়েছেন, প্যাকিং ঠিকমত হচ্ছে কিনা নজরদারী করতে। ট্রেণ প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে, চিকু , হনির চুলে হাত বুলিয়ে বিদায় দিলাম। “ হনি ওর স্বভাবসিদ্ধ কৌতূহলে মায়ের কাছে জানতে চাইল “ আন্টি ইয়ে স্টেশন মে কিঁউ উতার রহি হ্যায়? ইয়ে তো হমারা স্টেশন নেহি।  সত্যি তো, ওদের স্টেশন না আসা অবধি অন্য কোন স্টেশনে ওদের নিজের লোকজন কেন নামবে! 

হাসতে গিয়ে এবারে চোখ কেমন কড়কড় করে উঠল, গলায় একটা দলা পাকিয়ে গেল। কে জানে, আইনের মারপ্যাঁচে হয়ত এই দুই ডানপিটে মাণিকজোড় জোড় ভাঙা খেলনার মত দু টুকরো দু দিকে ছিটকে যাবে, বছরে দু বছরে এক আধ বার দেখা হবে কি হবে না। 

নামার সময় চিকু বড় দাদার মত উপদেশ দিল “হনি, আন্টিকো নমস্তে করো। দুজনে ছোট ছোট হাত জড়ো করে আমাকে রিণরিণে গলায় বলল “ নমস্তে আন্টি। 

“বাঁচে থাকো বাবা” বলে আমি নেমে এলাম প্ল্যাটফর্মে। চোখে কাঁকর পড়ার অনুভূতিটা এখনও আছে। পুরোনো একটা হিন্দি গান মনে পড়ছিল “দো হংসকা জোড়া বিছর গয়ো রে/গজব ভয়ো রামা, জুলম ভয়োরে।

1 comment:

  1. খুব ভাল লেগেছে। আমার চোখেও কয়লার গুঁড়ো।

    ReplyDelete