কেমন আছে কাশ্মীরের মানুষ? সেখানেও তো কবিতা লেখা হয়? কেমন আছে কাশ্মীরের কবিতা?
বিভিন্ন সময়ে কবিদের কবিতাতে উঠে এসেছে কাশ্মীরের দৈনন্দিন জীবন, তাদের ভূখন্ড ও সমাজ। কবির কলম ও কাগজের পৃষ্ঠায় কাশ্মীরকে এক ঝলক বুঝে নেয়ার প্রচেষ্টা, তারই জন্যে এই লেখাটা।
ভূসর্গ কাশ্মীর। এখানকার কবি অগ্নিশেখর লেখেন –
‘দেবদারু গাছে বসে কাক কাঁদে
আর ছাদ বেয়ে এখনো গড়িয়ে পড়ে গ্লেশিয়ার …
প্রচুর মাত্রায় এখনো পড়ে বরফ
ঠিক ছোট্ট বেলার মতোই
শুধু আমরাই আর আগের মতো রইলাম না’ [ বরফ / অগ্নিশেখর।]
এই কবিতায় উঠে আসে ভূস্বর্গ কাশ্মীরের খন্ডচিত্র, সেই সাথে কোথাও যেন লুকিয়ে থাকে কবির একটা দীর্ঘশ্বাস। কেন এই দীর্ঘশ্বাস? সে কি জীবনের নিরাপত্তাহীনতা? প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, কবি অগ্নিশেখরে কাশ্মীরেরই কবি, সেখানেই তার জন্ম ১৯৫৬ সালে।
কবি অগ্নিশেখরের কবিতার পরবর্তী লাইনগুলোতে কিছুটা খুঁজে পাই এই নিরাপত্তাহীনতার কিছু ইঙ্গিত।
‘আমি হব্বা কদল সেতু থেকে দেখলাম
ঝিলম নদীকে …
ঝিলমকে দেখে আমার ঠিক মনে হয়
সে পাকিস্থানি গুপ্তচর
আমি আমার গলায় পরা পৈতে
জামার ভেতরে লুকিয়ে চটপট
ঘরে ফিরে এলাম
আর ঘুমন্ত অবস্থায় অনুভব করলাম
মাটি সরে যাচ্ছে।’ [ দেবদারুর একখানা চিঠি / অগ্নিশেখর।]
দেশের ভেতরকার ধর্মীয় অসংবেদনশীলতা! সীমান্তবর্তী পাকিস্থানের থেকে নেমে আসা আক্রমণ। এসব সত্ত্বেও হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে, আমার মনে হয়, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ শান্তির স্বপক্ষে, তারা পাশাপাশি মিলেমিশে ঘর বেঁধে থাকতে চায়।
২০২৫ এর এপ্রিলে সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় প্রাণ হরালো কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ঘুরতে যাওয়া কিছু ট্যারিষ্ট মানুষ। ব্যাথায় আর্তনাদে রক্তাক্ত পড়ে রইলো ভূস্বর্গের মাটি। যারা সন্ত্রাসবাদী, তারা কি এ দেশের, না কি তারা পাকিস্থানের বর্ডার পেরিয়ে এসেছে?
অথচ এই ঘটনার পূর্ববর্তী সময়ে লেখা কাশ্মীরের কবিদের লেখা কিছু কবিতা আমার সামনে। যা কিনা বিভিন্ন কবির লেখা কাশ্মীরের কবিতার একটা বাংলা অনুবাদ সংকলন। [সূত্র – ১]
এই সংকলনে বসরত পীর-এর লেখা একটা কবিতার বিবরণ পড়ে যে কেউই থমকে যাবে - শ্রীনগর একটি বাঙ্কারের শহর। বিশ্বের শহরগুলির মধ্যে সর্বাধিক সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এখানে। প্রায় দেড় দশক ধরে এই শহরের রাতগুলো কার্ফুতে হারিয়ে গিয়েছিল!
তারই লেখা Curfewed Night বই থেকে অনুদিত অংশের বিবরণে দেখি মধ্য-শ্রীনগরের হাব্বাকাদাল অঞ্চল সম্পর্কে কিছু উক্তি। এই অঞ্চল সম্পর্কে বলা হয়েছে – এখানে দেখার কিছুই নেই, এটি এখন একটি ধ্বংসাবশেষ। রাস্তা দিয়ে নেমে যান, আপনি কিছু পোড়া ঘর-বাড়ি দেখতে পাবেন। [সূত্র – ১]
সত্যিই কি ভূসর্গ কাশ্মীরের আজ এমনই একটা অবস্থা? কেন এমন অবস্থাটা হলো, কেন তিনি এমনটা লিখলেন?
পুরাণো ইতিহাসের দিকে একবার ফিরে দেখা যাক।
কাশ্মীরে একসময়ে ব্রাম্মণ্যবাদ ও বৌদ্ধবাদ প্রচলিত ছিল। ক্রমান্বয়ে কাশ্মীরে বৌদ্ধধর্মের প্রবেশ ঘটে। সম্রাট অশোকের মৃত্যুর পর শৈবধর্মের প্রচার শুরু হয়। কাশ্মীরে ইসলাম ধর্মের আগমণ বিভিন্ন সূফী ও পীরদের মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা যখন বিদায় নিচ্ছিল, তখন ভারতবর্ষের তিনটি দেশ (যথা - হায়দ্রাবাদ, জুনগর এবং জম্মু ও কাশ্মীর) স্বাধীন থাকতে চেয়েছিল – তখন কাশ্মীরের জনসংখ্যায় মুসলমানরা ছিল সংখ্যা গরিষ্ঠ, কিন্তু রাজা ছিল হিন্দু, হরি সিং। শুরুতে তিনিও স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন এবং একই সঙ্গে নেহেরু ও জিন্নাহর সাহায্য চেয়ে দরবারও করেছিলেন। এদিকে দেশভাগের ফলে দুটি নতুন দেশের জন্ম হলে বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম শিখ হিন্দুদের মধ্যে দাঙ্গার সৃষ্টি হলো। কাশ্মীরে একই পরিস্থিতি তৈরি হলে, মুসলিমরা পাকিস্থানে পলায়ন করতে থাকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পাকিস্থান কাশ্মীরে সেনাবাহিনীকে প্রেরণ করে। বাহিনীর আক্রমণে কাশ্মীরের অধিকাংশ অঞ্চল রাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তারই প্রতিক্রিয়ায় মহারাজ হরি সিং ভারতের সাহায্য প্রার্থনা করলে, ভারত সরকার তাদের সঙ্গে কাশ্মীরের যুক্ত হবার শর্ত দেয় এবং রাজা হরি সিং তা মেনে নেয়। সেই থেকে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্থান টেনশন অব্যহত। কাশ্মীরকে পাকিস্থানের অন্তর্ভূক্ত করার জন্যে জঙ্গী সংগঠনগুলো সচেষ্ট। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিপর্যস্ত সেখানকার সমাজ ও সাহিত্য। কাশ্মীরের কবিতাতেও দেখি তার প্রতিফলন। [সূত্র - ৩ / পুস্তকের ভূমিকা – বিতস্তা ঘোষাল]
কবি আগা শাহিদ আলি ‘বিদায়বার্তা’ কবিতায় লেখেন – ‘আমি স্বর্গের মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছি নরকের নদী বেয়ে …’ কিংবা ‘ওরা একটা করে বসতকে শ্মশান বানায় আর তার নাম দেয় শান্তি।’ এই লাইন দুটোই মনকে নাড়া দিয়ে যায়। এই কবিতাতেই তার লেখা আরও দুটো লাইন – ‘হ্রদের জলে মন্দির আর মসজিদের হাতগুলো একে অপরের / প্রতিবিম্বকে আঁকড়ে ধরে আছে’। মন্দির আর মসজিদের এই হাত ধরাধরি করে থাকার মধ্যে আমরা একটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ইঙ্গিত পাই। এই সিদ্ধান্তে আমাদেরকে আসতে হয় – সব মানুষেরা সবসময়ে ধর্মান্ধ হয় না!
‘হিস্টিরিয়া’ কবিতায় মারিয়াম আলা আমজাদি যে ছবি আঁকেন, তা আতঙ্ক ও বিভীষিকার। এখানে জন্মগত প্রতিরোধের কথাও উঠে আসে।
‘জমিন আঁকড়ে পড়ে থাকো কাশ্মীর
আতঙ্ক আর বিভীষিকা
তোমার প্রতিদিনের দোস্ত
এমনকী মায়ের পেট থেকে পড়েই
নাদান শিশুরাও জেনে গেছে কীভাবে চিৎকার করতে হয়’
‘শব ও সরোবর’ কবিতায় কবি সাবির ‘আজার’ লেখেন -
‘সরোবরের আয়নায়
কী দেখা উচিত আমার ...?
জলের গভীর থেকে
অচেনার মতো এক শব
চেয়ে থাকে
অপলক ...’
মর্মান্তিক কাব্যময় কবিতা! সরোবরের আয়নায় আকাশ নয়, জলজ জীবন নয়, সেখানে দেখা যাচ্ছে ‘শবদেহ’! মর্মস্পর্শী ও করুণ এই দৃশ্য! সত্যিই কি এরকমটাই কবির কাশ্মীরের অবস্থা?
অর্জন দেব কাউল ‘মজবুর’ তাঁর কবিতা ‘কাশ্মীর’-এ লেখেন -
‘কত নদী-ছবি লাল হয়ে গেল বোবা মানুষের রক্তে!
আমার মায়ের কমনীয় মুখ কে পোড়াল এই রাজ্যে?’
আফ্রিন ফরিদি ‘চিনার তলায়’ কবিতাটিতে লেখেন, -
‘পোয়াতি মেয়েটি যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠল’। এই কবিতাটির পাদটিকা থেকে আমরা জানতে পারি, ১৯৯১ সালে সেনাবাহিনী ৩১ জন মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল। কবিতাটা তারই পটভূমিকায় লেখা। [ সূত্র -১ ]
অশান্ত কাশ্মীর তার দগ্ধ মুখ দেখায় ‘কাশ্মীরের কবিতা’ সংকলনটির [ সূত্র -১] পাতায় পাতায়। কারণ সেটাই হয়তো কোন এক সময়কার কাশ্মীরের প্রচলিত অবস্থা। ‘শাহজাদা’ রফিক তার ‘বিক্ষোভ জাগছে’ কবিতার সংক্ষিপ্ত পরিসরে তুলে ধরেন সেখানকার অবস্থা!
‘পাগল হাওয়া আর আগুন / বিক্ষোভ জাগছে / লাশ -বিবস্ত্র - কবর / বিক্ষোভ জাগছে’।
এম সি কাস ‘আমার প্রতিবাদ’ কবিতায় সোচ্চার হয়ে ওঠেন দমনপীড়নের বিরুদ্ধে, প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে, ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে। তিনি তাই লেখেন – আমার প্রতিবাদ আমার ভাইয়ের জন্য / যে মৃত / আমার প্রতিবাদ সেই বুলেটের বিরুদ্ধে / যা তার মাথায় বিঁধে আছে’।
কিংবা
‘বিশ্বাসঘাতক পুতুল রাজনীতিক সব যাদের ভেতর কোনো আত্মা নেই / তারা ছল চাতুরীর সুতোয় আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে গনভোট নামের শব্দটিকে / আমার জান্নাত জ্বলছে সামরিক বাহিনীর হাতে।’
আগা শাহিদ আলি-র কবিতা –
‘আবার আমি সেই দেশে ফিরে এসেছি যেখানে একটা মসজিদের চূড়াকে কবরে পাঠানো হয়েছে।’ এ লাইনটা ভয়ঙ্কর! এটা পড়ে ধর্ম-নিরপেক্ষ দেশের বিবেকবান মানুষ অবশ্যই চমকে উঠবে! এই কবিতারই গদ্য ঢঙে লেখা কিছু লাইন আমাদেরকে দিয়ে প্রশ্ন করায়, এমনটাই কি কাশ্মীরের পরিস্থিতি?
“ ‘আগুনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমরা অন্ধকার খুঁজি’ চেঁচিয়ে উঠলো রাস্তার খ্যাপাটে লোকটা, / আমি সেই লোকটা হতে চাই যে রক্ত ঢেলে দ্যায় তোমার হাতদুটো শুকানোর জন্যে।”
শ্রীময়ী নন্দিনী ঘোষের ‘কারফিউর শ্রীনগর’এ ধরা আছে দিনলিপির ঢঙে একাধিক কারফিউ দিনের বর্ণনা। গ্রন্থটির [সূত্র -১] পেছনে দেয়া পরিচয়লিপিতে শ্রীময়ীর পরিচিতি নেই; জানার ইচ্ছে রইলো, তিনি কাশ্মীরের মূল নিবাসী কি না? সে যাই হোক, অসাধারণ দক্ষতায় শ্রীময়ীর লেখনীতে উঠে এসেছে কাশ্মীরের দিনযাপন, সেখানকার উপদ্রুত সময়ের কথা! সে যাই হোক, অসাধারণ দক্ষতায় শ্রীময়ীর লেখনীতে উঠে এসেছে কাশ্মীরের দিনযাপন। সেখানকার উপদ্রুত সময়ের কথা।
‘শহরটা নির্বাক ছায়াছবি যেন
রাস্তাগুলো ফাঁকা
সমস্ত পৃথিবী যেন আড়ষ্ট গতিহীন স্থির।
খালি চুপিচুপি হাসপাতালে চলে যাচ্ছে
অসংখ্য শিশুর শরীর।’
কিংবা
‘কাশ্মীরে পৌঁছালো বিশ্বস্ত সূত্রের খবর।
ক্যামেরা লাগানো আর রিমোট চালিত একটি বোমা
ঘুরপাক খাচ্ছে নিচে কারফিউ স্তব্ধ শহরে।’
কিংবা
‘টিভি বন্ধ হয়ে গেছে।
খবরের কাগজের অফিসে ভাঙচুর
দূরভাষ বন্ধ আছে বহুদিন হল।
#
মসজিদ বাকরুদ্ধ শুক্রবার থেকে।
ইন্টারনেট খুঁড়িয়ে চলছে কোনোমতে
আমাদের সাথে গোটা পৃথিবীর
যোগাযোগ কোনোমতে রেখে।
শোনা যায় দুজন ট্রাকচালক
রাস্তায় খুন হয়েছে গতকাল রাতে
#
তাই হাইওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
কবিতাতে কারফিউর সময় চিত্রণে অনুমান করতে অসুবিধে হয় না, কেমন ভাবে কিছুকাল আগেও সময়ে সময়ে বরবাদ হয়ে যাচ্ছিল কাশ্মীরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা!
পেয়ারে ‘হতাশ’ নামধারী কবি লেখেন ‘গজল ২’ কবিতা, যার সোজাসাপটা ক’টা লাইন তুলে দেওয়া যাক এখানে -
‘সে কে? যে মারা গেছে, সেই বা কে যে খুন হয়েছে!
সর্বত্র কাফনে মোড়া সেলাই করা মৃতদেহ দেখো
মরুবালুরা তোমরা সব দেখো!’
এ যেন মৃত্যু উপত্যকার এক নির্মম চিত্র!
পরবর্তী কবিতাটার সুর কিছুটা ভিন্ন! ছিনিয়ে নেয়া হল আমার নদী – কবিতায় অগ্নিশেখর লেখেন জীবনের অস্থিতি! নিরাপত্তাহীনতার কথা!
‘ছিনিয়ে নেয়া হল আমার নদী
বদলে দেয়া হল নদীর নাম
নিষিদ্ধ করে দেয়া হল নদীর জলে প্রদীপ ভাসানো
ছিনিয়ে নেয়া হল আমার দেবদারু গাছের ছায়াটুকুও
…… এই ভাবে শত বর্ষের শীতে
বরফ হয়ে গেল আমার কন্ঠ
ছিনিয়ে নেয়া হল আমার চেহারা
আর আমি এখন সব দিক থেকে চিনে ফেলার ভয়ে
পাল্টে ফেলেছি নিজেকে’ [ সূত্র – ৪]
কবি অগ্নিশেখরের ‘জবাহর টানেল’ দীর্ঘ কবিতাটার কিছু বিচ্ছিন্ন লাইনগুলো তুলে দিলাম –
‘এএত বছর
জবাহর লাল নেহেরু সুড়ঙ্গে
ঠেসে-ঠেসে অন্ধকার ভরা হয়েছে
আর পাঁচাল পর্বত ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে’
কিংবা
‘হাতগোলা ও বোমার অট্টহাস
জবাহর লাল নেহেরু সুড়ঙ্গ
ঠাঁয়-ঠাঁয় গুলির খেলা ও অলজেহাদ, অলজেহাদ,
অলজেহাদ।’
অথবা
‘সেঁকা হচ্ছিল লোকতন্ত্রের তাওয়ায় মিথ্যের রুটি
এটি মানব অধিকারের দিন
কিন্তু আমাদের মানব অধিকার বলে কিছু ছিল না।’
কিংবা
‘আমরা পাহাড় থেকে নেমে এলাম শরণার্থী ক্যাম্পে
ছড়িয়ে গেলাম সংবিধানের ফেঁপে ওঠা তাঁবুতে …’। [সূত্র -২]
বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে বাইরে রেখেই ছিন্ন বিচ্ছিন্ন ভাবে এখানে তুলে ধরা হলো কাশ্মীর ভূস্বর্গের কিছু কবিতা। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এখানকার নানা কবিতার মধ্যে উঠে এসেছে মানুষজনের দীর্ঘশ্বাস, কান্না, বিক্ষোভ, চিৎকার, প্রতিবাদ। সব মিলিয়ে এটাই বুঝতে পারি কাশ্মীরের মানুষেরা ভয়ে ভয়ে আছে, সন্ত্রাসের মধ্যে আছে। তারা সুখে নেই, তারা ততো ভালো নেই।
[ সূত্র –
১) কাশ্মীরের কবিতা। প্রকাশক – মন্থন সাময়িকী, কোলকাতা – ১৮।
২) ভারতীয় কবিতার অঙ্গনে – অনুবাদ - মিতা দাস।
৩) সংগ্রহালয়ে কাটা পা – অগ্নিশেখর / অনুবাদ - মিতা দাস।
৪) শারদীয়া অনুবাদ পত্রিকা – ১৪২৬।
৫) আন্তর্জাল তথ্যপঞ্জি।]
0 comments: