1

ব্যক্তিগত গদ্যঃ সীমা ব্যানার্জী-রায়

Posted in

ব্যক্তিগত গদ্য 



রবিঠাকুর, একটা গল্প লিখবে ?
সীমা ব্যানার্জী-রায়







প্রিয় রবিঠাকুর,
জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি, কলকাতা ৭০০০০৭।

তোমার ১৫৫তম জন্মদিনের সুরের মাধুর্যে মেতেছে সোনালী আকাশ, বাতাস। ফেলে আসা দিন গুলোর স্মৃতিতে মনটা ব্যকুল হয়ে উঠেছে। বেলি ফুলের সমারোহের সাথে গোলাপ আর মাধবীলতার আহ্লাদী ভাব ঠিক এই সময়। গান, নাচ, আবৃত্তি, নাটকে চারিদিক থেকে তোমাকে জানাবে প্রণামী অর্ঘ্য। আমার নেই তেমন কোন অর্ঘ্য কবিবর, আছে শুধু এক উদ্ধত অনুরোধ। একটা গল্প লেখো। দোহাই তোমার রবিঠাকুর, একটা অসামান্য মেয়েকে নিয়ে গল্প লেখো।

কল্যাণীকে নিয়ে লিখেছিলে 'অপরিচিতা'। ষোড়শীর পরিচয় দিয়েছিলে 'তপস্বিনী'তে। কাদম্বিনীকে অমর করলে 'জীবিত ও মৃত' গল্পে। 'সাধারণ মেয়ে' তে আঁকলে মালতীর আলেখ্য। 'সাগরিকা'য় রূপ দিলে অনন্যা তরুণীর স্বপ্নমায়াকে। এমন কি ডানাহারা, উড়োপ্রাণ, বাংলাদেশের মেয়ের বিদ্রোহীবুকের ব্যাথালিপি রূপায়িত করলে 'বাঁশিওয়ালা' র সুরে। কিন্তু তোমার লেখনীতে প্রকাশ পায়নি একটি অসাধারণ বাঙ্গালী মেয়ের প্রতিবিম্ব। 

আমি তোমায় জানাতে চাই একটি দৈবলব্ধ জীবনের কাঠামো যার রস তীব্র ও মধুর। শুনবে তার কথা? লিখবে, বলো, তার গল্প, রবিঠাকুর? সেই অসামান্যা মেয়ের নাম সুরুচি। সবাই তাকে ডাকে সুরুদি। প্রথম সন্তান মা বাপের। বাবার বড় আদরের মেয়ে ছিলেন সুরুদি। স্বপ্ন ছিল বাবার সুরুচি হোক সর্বজ্যোতির্ময়ী, সর্বকল্যাণপারদর্শিনী, ভুবনজয়িনী কন্যা।

বাবা ছিলেন ডাক্তার খুলনায়। কিন্তু ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে 'ষড়যন্ত্র করার দোষে' হয়েছিলেন কর্মহারা। পূর্ববঙ্গের গাঁয়ে সরকার তাঁর ডাক্তারি করার অনুমতি তুলে নিয়েছিলেন। সুরুদির বাবা জীবিকাধারণের খোঁজে চলে যান এ শহর থেকে অন্য শহরে। দিয়ে যান সংসার, এক বোন, দুই ভাই আর মায়ের দায়িত্ব সুরুচির ওপর। তার বয়স তখন মাত্র নয় বছর। যে সময় ছোট মেয়েরা পুতুল খেলায় থাকে মত্ত। সুরুচিদির কাজ ছিল ভাইবোনদের নিয়ম কানুনে মানিয়ে রাখা। বিপদের বাইরে বাঁচিয়ে রাখা। মেয়েবেলা পেরবার আগেই সুরুচিদির জীবনে এল প্রৌঢ়ত্ব।

এগারো বছর বয়সেই সুরুদি জানতেন তার ভবিষ্যৎ। বলেছিলেন মাকে 'আমি ডাক্তার হয়ে বিদেশে যাব, সেখানে রয়েছে আমার অন্ন মাপা। একাই থাকব অধিকাংশ জীবনটা।' বলেছিলেন মা হেসে, 'পাগলী মেয়ে, সবে মাত্র দশ পেরলি। এখনই জানিস কি করে কি আছে তোর ভবিষ্যতের গর্ভে?'

তুমি জানো রবিঠাকুর, সুরুদির বিচক্ষণতার বিষয়ে মায়ের এই বিশ্লেষণ কিন্তু ঠিক ছিল না। ওই কচি বয়সে সুরুদি চলে যেতেন আলতো পায়ে মায়ের পেছন পেছন গাঁয়ের পুকুর পাড়ে, মায়ের অজান্তে। বাবার অবর্তমানে ওই একাদশী সুরুচিদি যে ছিলেন সংসারের প্রকৃত কর্তৃ। শ্যেনচক্ষু সুরুদি জেনেছিলেন মায়ের মনোবেদনা। 'বিদেশে' স্বামী। ছোট, ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে গাঁয়ের বধু হয়ে কাটত কি করে মায়ের দিন। বর্ষার যৌবনে টলমল করত পুকুর। 'জলের সঙ্গে স্থলের যেন গলাগলি(“ঘাটের কথা”)। বাসন ধোয়ার নামে মা নেমে যেতেন ঘাটের ধাপে ধাপে। ভরা সন্ধ্যায়, কালো আকাশের তলায়, জলের স্রোতে ভাসান দিতেন যেন অন্তর্জালা।

পরের ছুটীতে বাবা বাড়ী এলে তরুণী সুরুদি বাবাকে বোঝালেন “এমন করে মাকে একা রেখে যাওয়া চলবে না। যেখানেই থাকো, যেমন করেই থাকো, আমার এই একটা কথা শোনো বাবা। মাকে এমন করে ফেলে রেখে যেও না গাঁয়ে। বাসন ধুতে গিয়ে জলের গভীরে তলিয়ে যাবেন কবে। এই আমার আশঙ্কা, এই আমার একমাত্র ভয়, বাবা।”

তুমিই আমায় বলো রবিঠাকুর এই দৃশ্যটা তোমায় মনে করিয়ে দেয় না - “ঘরপোষা নির্জীব মেয়ে অন্ধকার কোণ থেকে বেরিয়ে এল-যেন সে হঠাৎ পাওয়া নতুন ছন্দ বাল্মীকির... “(বাঁশীওয়ালা)”। 

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাবা এলেন কলকাতায়। পাকে চক্রে অল্পদিনের মধ্যেই সব গুটিয়ে নতুন করে সংসার পাতলেন বেনারসে।

সুরুচিদির ভাগ্যলিপিতে যাই থাক না কেন, ভবিষ্যতের পন্থা গড়ে উঠল বাবা-মেয়ের মিলিত সিদ্ধান্তে। বাবার সাহায্যে দুবছর বাড়িয়ে দিয়ে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিলেন সুরুচিদি ১৪ বছর বয়সে। স্কলারশীপ নিয়ে পাশ করার পর সিদ্ধান্ত হল ডাক্তারী পড়া। শুরু হল সুরুচির জীবনে আর একটা অধ্যায়, বিহারের দানাপুর শহরে।

এ্যনাটমির জনপ্রিয় অধ্যাপক ডক্টর মাইক গোল্ডস্টাইন-এর ক্লাশে ছিল বহু ছাত্রছাত্রী। তাদের মাঝে সুরুচিদি এক কোণে চেয়ার টেনে বসলেন। অধ্যাপনার মাধ্যমে জোসেফের চোখে পড়ল সুরুচিদির বিদ্যুৎ স্ফুলিঙ্গসম তীক্ষ্ণ বুদ্ধি। জোসেফের নরম কথায়, চটুল হাসিতে ঝলমলিয়ে নেচে উঠল সুরুচিদির মনপ্রাণ। দুজনের বয়সের ব্যবধান ১৮ বছরের। তার ওপর জোসেফ ছিলেন ক্রিশ্চান ধর্মাবলম্বী। আমাদের সমাজের চোখে এ বিয়ে এখনও অসম্ভব। সুরুচিদি বাড়ীতে বললেন, “মাইক-কে ছাড়া আর কাউকে আমি বিয়ে করব না।” মা ঘরে বন্দী করলেন মেয়েকে। 

“চারুলতা” - সিনেমাটা দেখেছো তুমি, রবিঠাকুর? দেখোনি? ওই যে গো, সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় “নস্টনীড়” ছোটগল্পের চলচ্চিত্র রূপায়ণ। বর্হিজগতের সঙ্গে চারুলতার যোগাযোগ ছিল জানালার খড়খড়ির মাধ্যমে। বাঁদর খেলার বাজনা শুনে চারু এঘর থেকে ওঘরে ছুটে ছুটে দেখত আর ডুগডুগির শব্দটা অনুসরণ করত...। সুরুচিদির তাও সম্ভব ছিল না। সিন্দুকের মত ছোট একটা ঘরে মা তাকে করেছিলেন নজরবন্দী। একটাই ছিল জানলা, তাও বেশ উঁচুতে গাঁথা। সেই “গারদখানার” মাঝে বসে পথে চলা রিক্সাগাড়ির ঘণ্টা শুনে সুরুচিদি স্বপ্ন দেখতেন বিয়ের যজ্ঞের, পুরোহিতের মন্ত্রের...। কিন্তু মা ও নাছোড়বান্দা, সুরুচিদিও পেছপা হবার মেয়ে নন। পাড়ায় পাড়ায় হৈ হৈ পড়ে গেল সুরুচিদির জেদের, তেজ নিয়ে। শেষে বাবার আনুকুল্যে হল এই আন্তর্ধমী বিয়ে, মায়ের আশীর্বাদ ছাড়াই। না নতুন শাড়ী, না নতুন গহনা। না সাজল কনে, না সাজল বর। না বাজল সানাই। না পরাল কেউ যুঁই, রজনীগন্ধা, বেলিফুলের মালা। না গাইল কেউ বিয়ের আসরে গান। অন্তরের ঐশ্বর্য্য দিয়ে মাইক আলিঙ্গন করলেন অনন্যা সেই সুরুচিদিকে। মিলনের সৌরভে তাদের যুগল জীবন হল শুরু।

তুমি বুঝেছিলে নারীর মর্মব্যথা, তার স্বাক্ষর দিয়েছিলে তোমার কবিতা, গল্পে, উপন্যাসে। তুমিই রচনা করেছিলে চারুলতার স্বামী ভূপতি আর দেবর অমলেশের চরিত্র। তুমি কি জানতে মাইক-কে? আমার মনে হয় তুমি তাকে জানতে। নয়ত ভূপতিকে কিভাবে আবিষ্কার করেছিলে? ভূপতির মতই মাইক জানতেন সুরুচিদির মনে আছে মহত্বের বীজ। আর বয়েসেরও অনেকটা ব্যবধান ছিল বলে তিনি সুরুদিকে চিনতে একটুও ভুল করেন নি। তাই মাইক দূরদর্শিতা দিয়ে সুরুচিদিকে পাঠালেন বিদেশে বিশেষজ্ঞের পারদর্শিতা অর্জন করার জন্য। দেশে মনস্তত্ত্ববিদদের যতই সম্মান আর যশ থাকুক না কেন, মাইক জানতেন বিদেশের ডিগ্রীর দাম অনেক। আরও একটা কারণ ছিল। তাদের চার ছেলেমেয়ে তখন বোর্ডিং স্কুলে পড়ছে। ভারতবর্ষের সরকারী ডাক্তারের আয়ে এত খরচ চালানো কি সম্ভব? ডলারের মূল্য সেখানে অনেকবেশি তাদের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পেছপা হবে না।। সুরুচিদি গেলেন পড়তে অ্যামেরিকায়। ছেলেমেয়েসহ স্বামী থেকে গেলেন ভারতবর্ষে। অ্যামেরিকায় এসে সুরুচিদি একটার পর একটা ডিগ্রী অর্জন করতে শুরু করলেন। ছোটবড় হাস্পাতালে সংযুক্ত থেকে মনস্তত্ত্ববিদের পেশাও তার সাথে চালিয়ে যেতে লাগলেন।

২০১০ সালে, এক অনির্বচনীয় কালের ব্যবধানের পর মাইক এলেন অ্যামেরিকায় সুরুচিদির সাথে পুনর্মিলনের অভিসারে। এলেন কিন্তু এক অজানা রোগভুক্ত হয়ে। মাইকের আদরের সুরুরানীর সেবাশুশ্রুষায়, অসীম যত্ন পেয়ে মাইক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন অ্যামেরিকায়। সাধারণ বাঙালী মেয়ে হলে হয়ত বাক্স পেঁটরা গুটিয়ে ফিরে যেতেন দেশে। সে রকম মেয়ে মোটেই নন সুরুচিদি। স্বামীর মৃতদেহ নিয়ে ফিরে গেলেন দেশে। ছেলেমেয়েদের সবকিছু সাক্ষাতে বলতে এবং বোঝাতে। আর গেলেন বিধাতার সাথে আরো একবার বোঝাপড়ার হিসেব কষতে। শান্ত মাথায়, নিপুণ হাতে ব্যবস্থা করলেন কি করে চার ছেলেমেয়েকে অ্যামেরিকায় নিয়ে আসা যায়। 

আসতে আসতে সব ছেলেমেয়েদের, পুত্রবধুকে নিয়ে এলেন অ্যামেরিকায়। দাঁড় করালেন সবাইকে নিজের পায়ে। বিয়ে দিলেন দুই মেয়ের। তুমি হয়ত ভাবছ আরো কত ভারতীয় মেয়েই তো বিদেশে এই রকম কাজ করছেন। তাই তো? তা কিন্তু ঠিক নয়। সুরুচিদি এসেছিলেন একা, ছিলেন একা, জীবন যুদ্ধ করেছিলেন একা। বিদেশের বাঙালী সমাজের সহায়তায় নয়। মা চন্ডীর মত, মা জগদ্ধাত্রীর মত, মা দুর্গার মত এই মেয়ের অপরিসীম শক্তি। সেই শক্তি ও উৎসাহ পেতেন মাইকের পুরানো চিঠিতে।

সবদেশেই কর্মক্ষেত্রে যেমন প্রতিযোগিতা, রেষারেষি ও বিশ্বাসঘাতকতা হয়। অ্যামেরিকাতেও তা যথেষ্ট ছিল এবং এখনও আছে। এর প্রভাবে ক্রমশঃ একের পর এক ঝড়ঝাপটায় সুরুদির শরীরে হৃদরোগের বাসা বাঁধল হঠাৎ। বছর খানেক বিশ্রামে থেকে সুরুচিদি আরেকটা অধ্যায় আরম্ভ করলেন তার “নতুন” জীবনের।

যে গল্পের সুচনা হয়েছিল আজ থেকে ৬৫+ বছর আগে, তার প্রকাশ স্বরূপ নিয়েছে। বিরাট পশার এখন সুরুদির অ্যামেরিকার এক ছোট শহরে। নাতিনাতনী ছড়িয়ে আছে পৃ্থিবীর সর্বত্র। কেউ পড়ছে Harvardএ, কেউ পড়ছে MITতে, কেউ যাচ্ছে গবেষণামূলক কনফারেন্সে ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলে তে। সকলের সাহায্যে আছে সুরুচিদি। ছেলেমেয়ে, নাতি নাতনীদের মনের দিগন্ত ছড়ানোর জন্য নিয়ে যান তাদের তখন নিজের সাথে স্পেন, সাউথ অ্যামেরিকা, অ্যাফ্রিকা, আস্ট্রেলিয়া- তে। রোগীদের স্বাবলম্বী করার জন্য এবং তাদের চিকিৎসার সাথে এবং অন্যান্য বিষয়ে সাহায্য করেন সুরুচিদি। নিজে অবসর সময় গান শেখেন, পিয়ানো বাজান, ছবি আঁকেন, লেখেন-মন কালো করে। “আমার কি হোল”, “আমার কি হোল” বলে হা হুতাশ করে বসে থাকেন না চার দেওয়ালের পিছনে। অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যান নিষ্কর্মাদের। তার সাহায্যে নিঃস্ব মহিলাদের ও শিশুদের জন্য স্কুল ও ক্লিনিক তৈরী হচ্ছে ভারতবর্ষের নানা দুস্থ অঞ্চলে। সুরুচিদি এসবের জন্য কোন অহংকার করেন না। বলেন, “সবই করতে পারছি মাইক উৎসাহ দিতেন বলে, অনুপ্রেরণা দিতেন বলে, এখনও আমার সাথে রয়েছেন বলে সব সময়”। " ভুবন হবে নিত্য মধুর জীবন হবে ভালো-/-মনের মধ্যে জ্বালাই যদি--ভালোবাসার আলো।”

তুমি কি বলো রবিঠাকুর? তোমার কি মনে হয় তেল ছাড়া সলতের প্রদীপ জ্বলে? গলায় সুর না থাকলে কি কোকিল গাইতে পারে মন মাতানো গান? লেখার তাগিদা না থাকলে কি গড়গড় করে লেখা যায়? সুরুচিদি বলেন, “আমার জীবনীশক্তির অশেষ উৎস হচ্ছে জোসেফের অপরিমেয় প্রেম আর ওষুধ হচ্ছে মাইক-এর আমার প্রতি বিশ্বাস।” 

নাও, দিলাম তুলে তোমার হাতে একটা নতুন গল্পের কাঠামো। এখন তোমার কাজের পালা। ওগো আমার প্রিয় কবিগুরু, তুমি যদি না লেখো তো কোথায় যাব? আমার আর এক প্রিয় কথাশিল্পী শরৎবাবুর কাছে? তুমিই তো বলেছিলে, “মানুষের জীবন বিশাল একটা বনস্পতির মত। শুধু তার আয়তন, তার আকৃতি সুঠাম নয়। দিনে দিনে বেড়ে চলছে তার মধ্যে এলোমেলো ডালপালার পুনরাবৃত্তি। এই স্তূপকার একঘেয়েমির মধ্যে হঠাৎ একটা ফল ওঠে-সে নিটোল, সে সুডোল, বাইরে তার রং লাল কিংবা কালো, ভিতরে তার রস তীব্র কিংবা মধুর। সে সংক্ষিপ্ত, সে অনিবার্য, সে দেবলব্ধ, সে ছোটগল্প” (“শেষ কথা”)।

দোহাই তোমার, রবিঠাকুর, তুমি দাও সুরুচিদির চরিত্রায়ণ। একটু দয়ার চোখে দেখে লিখো। যে সুরুচিদি রয়েছে পরিচয়ের অন্তরালে। এই আদর্শনীয়া অনন্যাকে করো স্মরণীয়া।

তোমার এই শুভ ১৫৫ তম জন্মদিনে তোমার চরণে শতকোটি প্রনাম জানিয়ে, শুধু এইটুকু প্রার্থনা করি...

“বড় আশা করে এসেছি গো
কাছে ডেকে লও
ফিরাও না......”। 

তোমার আশীর্বাদের অপেক্ষায়...


তোমার চির স্নেহবন্ধ পাগলি মেয়ে,

সীমা ব্যানার্জ্জী-রায়
ডালাস, টেক্সাস







1 comment:

  1. ভালোই লাগলো। ইচ্ছা করে নিজের কিছু লেখা পাঠাতে, কিন্তু পাঠাবার নিয়ম আমার ঠিক জানা নেই।

    ReplyDelete