কবিতা - অমিতাভ মুখার্জী
Posted in কবিতা
নিজের কোনো বাড়ি নেই
নাদুবাবুর—
তাতে নাদুবাবুর—
কিছুই মনে হয়না।
পুরো জীবনটা এগিয়েছে
ভাড়া করা ওই পুরনো বাড়িতে—
পঞ্চাশের দশক থেকে
ভাড়া দেয়, কম টাকায়, রেন্ট কন্ট্রোলে—
পুরোদস্তুর বাড়িটাকে যত্ন করেছে
নিজের মতো করে—
নিজের অঙ্কে, সময়ে সময়ে।
সারা জীবন কথা শুনতে
হয়েছে নাদুবাবুকে—
নিজের কোনো বাড়ি নেই বলে।
অবস্থাহীন বলা যাবে না
নাদুবাবুকে—
মোটের উপরে ভালোই চাকরি
করেছে—
বেশ কয়েকটা গাড়ি আছে।
ইচ্ছে করলে
বাড়ি কিনতেই পারতো—
নাদুবাবু কেন যে বাড়ি করেনি—
তা আমার কাছে ধাঁধার মতো।
আজকের, কালকের
রাজাদের মতো সঙ্কোচে বাঁধে,
নাদুবাবুর বলতে—
চারটে কুকুর রেখেছি
চার কামরার এপার্টমেন্টে—
আর অন্য বাড়িতে থাকি পরিবার নিয়ে।
নাদুবাবুর কিছুই মনে হয় না—
একটা বাড়ি বা এপার্টমেন্ট
নেই বলে নিজের —
বলতে পারেনি ওদেরকে
আজ আমি তোমাদের দলে
ঝাঁকের কই-এর মতো—
পুরো জীবনটা কাটিয়ে দিল ভাড়া বাড়িতে।
নিজের ইচ্ছেতে গিয়ে
বলতে পারেনি—
ঝাঁকের কইয়ের মতো
আমি তোমাদেরই দলে—
নাদুবাবুর কিছুই মনে হয়নি তাতে।
সন্ধেতে সিঙ্গল মল্ট হুইস্কিতে
আপাতত মনে না হওয়াকে—
ওই পুরনো বইগুলোর সঙ্গী করে
সাজিয়ে রেখেছে।
আর সময়কেও
ইস্ত্রি করা শার্টের মতো—
পাট পাট করে, সাজিয়ে রেখেছে
ওয়ারড্রবে—
আর কেউ
কিছু বলতে পারবে না
নাদুবাবুকে।
নাদুবাবুর—
তাতে নাদুবাবুর—
কিছুই মনে হয়না।
পুরো জীবনটা এগিয়েছে
ভাড়া করা ওই পুরনো বাড়িতে—
পঞ্চাশের দশক থেকে
ভাড়া দেয়, কম টাকায়, রেন্ট কন্ট্রোলে—
পুরোদস্তুর বাড়িটাকে যত্ন করেছে
নিজের মতো করে—
নিজের অঙ্কে, সময়ে সময়ে।
সারা জীবন কথা শুনতে
হয়েছে নাদুবাবুকে—
নিজের কোনো বাড়ি নেই বলে।
অবস্থাহীন বলা যাবে না
নাদুবাবুকে—
মোটের উপরে ভালোই চাকরি
করেছে—
বেশ কয়েকটা গাড়ি আছে।
ইচ্ছে করলে
বাড়ি কিনতেই পারতো—
নাদুবাবু কেন যে বাড়ি করেনি—
তা আমার কাছে ধাঁধার মতো।
আজকের, কালকের
রাজাদের মতো সঙ্কোচে বাঁধে,
নাদুবাবুর বলতে—
চারটে কুকুর রেখেছি
চার কামরার এপার্টমেন্টে—
আর অন্য বাড়িতে থাকি পরিবার নিয়ে।
নাদুবাবুর কিছুই মনে হয় না—
একটা বাড়ি বা এপার্টমেন্ট
নেই বলে নিজের —
বলতে পারেনি ওদেরকে
আজ আমি তোমাদের দলে
ঝাঁকের কই-এর মতো—
পুরো জীবনটা কাটিয়ে দিল ভাড়া বাড়িতে।
নিজের ইচ্ছেতে গিয়ে
বলতে পারেনি—
ঝাঁকের কইয়ের মতো
আমি তোমাদেরই দলে—
নাদুবাবুর কিছুই মনে হয়নি তাতে।
সন্ধেতে সিঙ্গল মল্ট হুইস্কিতে
আপাতত মনে না হওয়াকে—
ওই পুরনো বইগুলোর সঙ্গী করে
সাজিয়ে রেখেছে।
আর সময়কেও
ইস্ত্রি করা শার্টের মতো—
পাট পাট করে, সাজিয়ে রেখেছে
ওয়ারড্রবে—
আর কেউ
কিছু বলতে পারবে না
নাদুবাবুকে।


0 comments: