Next
Previous
0

সম্পাদকীয়

Posted in


সম্পাদকীয়



নীল তিমি থেকে বাথটব – গভীর সমুদ্র থেকে সোপওয়াটার – আমরা সেই জলেই আছি এবং মৃত্যু মিছিলের মধ্যে বেশ অদ্ভুতভাবে বেঁচে আছি! কিভাবে, কে জানে!  অবশ্য নিন্দুকের দল বলছে – এটাকে বেঁচে থাকা মোটেই বলেনা; চতুর্দিকের এই অমানুষ অধ্যুষিত সমাজে প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কিত বুকে পড়ে থাকাকে কি বেঁচে থাকা বলে? রাজামশাই গাইছেন – হাল্লা চলেছে যুদ্ধে – আর আমরা কোরাসে সবাই তাঁর পোঁ ধরে ‘হাল্লা হাল্লা হাল্লা’ করেই চলেছি, করেই চলেছি... গুঁড়ি মেরে চেরা জিভে হিস হিস করতে করতে এগিয়ে আসছে আগুনে ঋতু...

এরই মধ্যে চুপি চুপি চলে গেলেন স্টিফেন হকিং – পৃথিবীর একমাত্র মানুষ, যিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন না কোনওদিন। আস্ত একটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যাঁর কর্মক্ষেত্র, গবেষণার খাতিরেই হয়ত হুইলচেয়ার গড়িয়ে গেছে অন্য কোনও সৌরজগতে – আলোর খোঁজে

অন্ধকার ভালো নয়। আমি অন্ধকারে এতকাল।।
শুধুই আলোর ইচ্ছা লালন করেছি।
শুধুই আলোর ইচ্ছা, আলোর অসীম ইচ্ছা নিয়ে
আমি এই অন্ধকারে জেগে আছি। এই
অব্যয় তরল অন্ধকারে।

[অন্ধকার নয় – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]

আমাদের জেগে থাকতেই হবে – শুভবোধ নিয়ে – আলোর অপেক্ষায় – আমরা জেগেই আছি

শুভেচ্ছা নিরন্তর